এমবাপ্পের ক্ষতি করতে ডাকিনীবিদ্যার দ্বারস্থ হইনি

137

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

একটি সংঘবদ্ধ চাঁদাবাজ চক্রের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হওয়ার কথা আগেই জানিয়েছিলেন পল পগবা। এই চক্রের সঙ্গে তাঁর বড় ভাই ম্যাথিয়াস ও শৈশবের বন্ধুরা জড়িত। এ নিয়ে দুজন বিচারকের অধীনে মামলাও চলছে।

ফ্রান্সের হয়ে বিশ্বকাপজয়ী এই মিডফিল্ডারের অভিযোগ, অপরাধী চক্রের চাপে পড়ে তাঁর ভাই এমন সব মিথ্যা অভিযোগ তুলছেন। ফরাসি সংবাদমাধ্যম ‘ফ্রান্সটিভিইনফো’ জানিয়েছে, সাম্প্রতিক সময়ে দুবার ফোন নম্বর পাল্টেও চাঁদাবাজ চক্রের হাত থেকে রেহাই পাননি জুভেন্টাস মিডফিল্ডার।

পগবাকে নিয়ে ম্যাথিয়াস যে অভিযোগ তুলেছেন, তা এমবাপ্পের কানেও পৌঁছেছে। কাল চ্যাম্পিয়নস লিগের সংবাদ সম্মেলনে এ নিয়ে কথাও বলেন পিএসজি ফরোয়ার্ড। পগবা নাকি এরই মধ্যে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করে সবকিছু বুঝিয়ে বলেছেন

এমবাপ্পের ভাষায়, ‘এটা (ম্যাথিয়াসের অভিযোগ) তাঁর (পল পগবা) সঙ্গে আমার সম্পর্ক পাল্টে দেবে না। এখন পর্যন্ত আমি আমার সতীর্থের কথাই বিশ্বাস করছি। সে আমাকে ফোন করেছিল। নিজের বক্তব্য বুঝিয়ে বলেছে। ভাইয়ের বিপক্ষেই ছিল তার কথাগুলো। তাই আমি আমার সতীর্থের কথাই বিশ্বাস করব। এই ভাবনার পেছনে ফ্রান্স জাতীয় দলের স্বার্থও আছে। সামনে বড় (বিশ্বকাপ) প্রতিযোগিতা আছে। দেখা যাক, সামনে কী ঘটে। তবে এ বিষয় থেকে দূরেই আছি আমি।’

গত সপ্তাহে এমবাপ্পের উদ্দেশে টুইট করে নিজের ভাইয়ের ডাকিনীবিদ্যার দ্বারস্থ হওয়ার কথা প্রকাশ করেন ম্যাথিয়াস। টুইটে তিনি লিখেছিলেন, ‘কিলিয়ান এমবাপ্পে, তুমি কি বুঝতে পারছ? তোমার বিরুদ্ধে আমার কোনো অভিযোগ নেই। আমি যা বলছি তোমার ভালোর জন্যই বলছি এবং সব কথাই সত্য, জাদুটোনার বিষয়টিও।’
পল পগবা এর আগে পুলিশকে জানিয়েছেন, গত মার্চে ফ্রান্স জাতীয় দলের হয়ে খেলতে দেশে যাওয়ার পর বন্ধুরা তাঁকে প্যারিসের একটি বাসায় নিয়ে যান। সেখানে হুডি পরিহিত সশস্ত্র আরও দুজন ছিলেন। বন্ধুরা পগবাকে বলেন, পেশাদার ফুটবলার হওয়ার পর তাঁদের তিনি আর্থিকভাবে সহায়তা করেন না। ১৩ বছর ধরে নিরবচ্ছিন্ন সুরক্ষা দেওয়ার সুবিধা হিসেবে পগবাকে তখন ১৩ মিলিয়ন ইউরো দিতে বলা হয়।

Get real time updates directly on you device, subscribe now.