ভারত-পাকিস্তান ফাইনাল দেখতে চাইছে – শেন ওয়াটসন

70

Get real time updates directly on you device, subscribe now.

২৩ অক্টোবর মেলবোর্নে টি-২০ বিশ্বকাপের সুপার ১২ গ্রুপ ২-এর ম্যাচে ভারত-পাকিস্তান লড়াই হয়েছিল। সেই ম্যাচে রুদ্ধশ্বাস লড়াই নিয়ে এখনও আলোচনা চলছে। এবারের টি-২০ বিশ্বকাপেই ফের ভারত-পাক লড়াইয়ের আশা তৈরি হয়েছে। রবিবার ফাইনালে ফের ভারত-পাকিস্তান মুখোমুখি হতে পারে। তবে সেটা হতে গেলে দু’দলকেই সেমি ফাইনালে নিজেদের ম্যাচ জিততে হবে। যদি বুধবার প্রথম সেমি ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে দিতে পারে পাকিস্তান এবং বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় সেমি ফাইনালে ভারত যদি ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে জয় পায়, তাহলেই ফাইনালে ভারত-পাক লড়াই হবে। ক্রিকেটপ্রেমীরা সেই আশাতেই দিন গুণছেন। তবে শুধু সাধারণ ক্রিকেটপ্রেমীরাই নন, প্রাক্তন ক্রিকেটাররাও ভারত-পাক লড়াই দেখার আশায়। অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন অলরাউন্ডার শেন ওয়াটসন তাঁদেরই একজন। তাঁর আশা, এরকম বড় মঞ্চে ফের পাকিস্তানের মুখোমুখি হবে ভারত এবং উত্তেজক লড়াই হবে। সুপার ১২-এর উত্তেজক লড়াইয়ের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে ওয়াটসন বলেছেন, তিনিও ভারত-পাক লড়াই দেখার অপেক্ষায়।

এ প্রসঙ্গে ওয়াটসন বলেছেন, ‘আমি দুর্ভাগ্যবশত এমসিজি-তে সুপার ১২-এ ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ দেখার সুযোগ পাইনি। কারণ, তার আগে আমি অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের ম্যাচে ধারাভাষ্যকার হিসেবে কাজ করেছিলাম। সেই কারণে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচটি দেখার সুযোগ হয়নি। কিন্তু এবার এই ম্যাচ দেখতে চাই। ভারত-পাক ম্যাচ সম্পর্কে আমি যা শুনেছি তাতে মনে হয়েছে এই ম্যাচটি অসাধারণ হয়েছে। যাঁরা ম্যাচটি দেখেছেন, তাঁরা সবাই বলছেন, দুর্দান্ত ম্যাচ হয়েছে। যাঁরা মাঠে গিয়েছিলেন, তাঁদের পাশাপাশি যাঁরা টিভিতে খেলা দেখেছেন, তাঁরাও ম্যাচটি নিয়ে আলোচনা করছেন। ২০০৭ সালে টি-২০ বিশ্বকাপ ফাইনালে ভারত-পাকিস্তান লড়াই হয়েছিল। সবাই ফের এই দুই দলের লড়াই দেখতে চান।’

টি-২০ বিশ্বকাপ ফাইনালে ভারত-পাক লড়াই হওয়া অবশ্য সহজ নয়। কারণ, গতবারের রানার্স নিউজিল্যান্ড এবারও অসাধারণ ফর্মে। ফলে সেমি ফাইনালে ফেভারিট হিসেবেই খেলতে নামছে কেন উইলিয়ামসনের দল। তবে ওয়াটসনের মতে, নিউজিল্যান্ডের পক্ষে পাকিস্তানকে হারানো সহজ হবে না। এ বিষয়ে ওয়াটসন বলেছেন, ‘সেমি ফাইনালে পাকিস্তান বিপজ্জনক হয়ে উঠবে। সব টুর্নামেন্টেই এমন একটা সময় আসে, যখন একটা দল ঠিক ভাল খেলতে শুরু করে এবং ফাইনালে পৌঁছে যায়। এই দলটা শেষপর্যন্ত চ্যাম্পিয়নও হয়ে যায়। পাকিস্তানও সেরকম কিছু করতে পারে। ওদের সেমি ফাইনালে যাওয়ার আশা ছিল না। তাই টুর্নামেন্টের মাঝামাঝি সময়ে স্বাধীনভাবে খেলতে শুরু করে। এই স্বাধীনতাই ওদের বিপজ্জনক দলে পরিণত করেছে। এটাই কিউয়িদের বিরুদ্ধে ওদের বিপজ্জনক দলে পরিণত করেছে।’

Get real time updates directly on you device, subscribe now.